কক্সবাজারের ডুলাহাজারা সাফারি পার্ক পরিদর্শনে গিয়ে পরিবেশ সুরক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দুপুরে তিনি এই প্রাকৃতিক বিনোদন কেন্দ্রে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানানো হয়। তার এই সফরের সঙ্গী ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। পার্কের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অবলোকনের পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

সফরের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী সাফারি পার্কের মূল ফটকের সামনে পৌঁছান। সেখানে তিনি একটি নাগলিঙ্গম গাছের চারা রোপণ করেন। বৃক্ষরোপণ শেষে তিনি পার্কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বন্যপ্রাণীদের সুরক্ষা ও সংরক্ষণের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করেন। প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি এই উদ্যোগের প্রশংসা করে তিনি বলেন, পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আবাসস্থল নিশ্চিত করা আমাদের অগ্রাধিকার।

পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী সাফারি পার্কের পরিদর্শন বইয়ে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে স্বাক্ষর করেন। একইভাবে ডা. জুবাইদা রহমানও স্মারক বইয়ে স্বাক্ষর করে পার্কের বর্তমান অবকাঠামো ও ব্যবস্থাপনার সন্তোষ প্রকাশ করেন। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী পার্কের আধুনিকায়নে কি ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। বিশেষ করে পর্যটকদের জন্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং বন্যপ্রাণীদের খাবার ও স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করার ওপর তিনি জোর দেন।

স্থানীয় প্রশাসন এবং বন বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের মধ্য দিয়ে কক্সবাজারের পর্যটন ও বনজ সম্পদের সুরক্ষায় একটি নতুন গতি আসবে বলে স্থানীয়রা প্রত্যাশা করছেন। এছাড়া সাফারি পার্কের সামগ্রিক পরিবেশ ও ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে আগামীতে আরও কি কি পরিকল্পনা গ্রহণ করা যায়, তা নিয়েও সংশ্লিষ্টদের সাথে তিনি আলোচনা করেন। তার এই পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে পার্ক এলাকায় নিরাপত্তার কড়াকড়ি ছিল চোখে পড়ার মতো। সবশেষে তিনি সাফারি পার্কের সার্বিক পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন।