• রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বেনাপোল ইমিগ্রেশনে কাস্টমস গোয়েন্দার অভিযান: যাত্রীর শরীরে মিলল ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার স্বর্ণ শার্শার রুদ্রপুর সীমান্তে বিজিবির অভিযান, ৫৫০ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ উদ্ধার খগাখড়িবাড়ীর রাজনীতিতে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম লিথন এবং স্থানীয়দের মূল্যায়নের বিশ্লেষণ বীরগঞ্জে টিএমএসএস করিমপুর ফাতেমাতুজ জোহরা হাসপাতালের সৌজন্যে দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ লক্ষ্যমাত্রায় বেনাপোল পৌরসভায় বিএনপির উদ্যোগ নীলফামারী ও গাইবান্ধায় এসআরবি-১৩-এর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজাসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার বেনাপোলে পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরের উদ্যোগে ৫০ হাজার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চেকপোস্টে চারা রোপণ দীর্ঘ সাহিত্যসাধনার প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি: বাংলা একাডেমির সদস্য হলেন লিডসপ্রবাসী কবি ও কথাসাহিত্যিক আহমেদ সৈয়দ শাহনুর বীরগঞ্জে পুলিশের জোরালো অভিযানে আটক ৯ জন, বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড প্রদান পলাশবাড়ীতে পরিত্যক্ত অবস্থায় ওয়ান শুটারগান ও গুলি উদ্ধার করেছে এসআরবি-১৩

নোয়াখালীতে ৯ বছরের মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্ত হুজুরকে গণধোলাই শেষে পুলিশে দিলেন জনতা

সংবাদদাতা:
বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আইসিআরবিডি টোয়েন্টিফোর icrbd24: নোয়াখালীর সদর উপজেলায় এক হৃদয়বিদারক ও উদ্বেগজনক ঘটনার সাক্ষী হলো স্থানীয় মানুষ। মাত্র ৯ বছর বয়সী এক নিষ্পাপ মাদ্রাসাছাত্রীকে মাসের পর মাস ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার নিজেরই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের নাম মাওলানা মোবারক হোসেন ওরফে এমরান, যার বয়স ৪৫ বছর। এই ন্যক্কারজনক ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায়। সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ যখন এই ভয়ংকর অভিযোগের কথা জানতে পারে, তখন তাদের ক্ষোভের বাঁধ ভেঙে যায়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে স্থানীয়রা কালক্ষেপণ না করে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটকে রাখে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সুধারাম মডেল থানার পুলিশ এবং উত্তেজিত জনতার রোষানল থেকে তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েক মাস ধরে মেয়েটির আচরণে অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে। সে পড়াশোনায় দারুণভাবে অমনোযোগী হয়ে উঠলে বাবা-মায়ের মনে সন্দেহ জাগে। তারা শিশুটির শারীরিক কিছু পরিবর্তনও লক্ষ্য করেন। এরপর প্রকৃত ঘটনা বুঝতে গত সোমবার তাকে সুধারাম থানা এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতালে বসে পরিবারের সদস্যদের কাছে বুকফাটা কান্নায় ভেঙে পড়ে ছোট্ট শিশুটি। সে জানায়, গত পাঁচ থেকে ছয় মাস ধরে মাদ্রাসাশিক্ষক মোবারক হোসেন ওরফে এমরান তাকে প্রতিনিয়ত শারীরিক নির্যাতন ও ধর্ষণ করে আসছে। ওই শিক্ষকের নিজের বাসাতেই শিশুটিকে প্রাইভেট পড়তে পাঠানো হতো এবং সেখানেই দিনের পর দিন এমন পাশবিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে তাকে।
জনতার তীব্র ক্ষোভের মুখে গণপিটুনির শিকার হওয়ায় অভিযুক্ত শিক্ষক গুরুতর আহত হন। পরে রাত সোয়া ৯টার দিকে কড়া পুলিশ পাহারায় তাকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। জানা গেছে, অভিযুক্ত এমরান একই উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের গোলাম কিবরিয়ার ছেলে এবং ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে।
সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক নিজের বাসায় ওই ছাত্রীকে প্রাইভেট পড়াতেন এবং পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী সেখানেই এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। তিনি আরও নিশ্চিত করেন যে, মঙ্গলবার রাতেই ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে মোবারক হোসেন ওরফে এমরানের বিরুদ্ধে থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। পুরো ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চলছে।
এডিটর: আই জামান চমক। হোয়াটসএ্যাপ: 01718456839


এরকম আরও সংবাদ