Header Border

ঢাকা, সোমবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ২৭.৯৬°সে

পটুয়াখালীতে ২ বছরেও চালু হয়নি আরটিপিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম

প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও জনবল না থাকায় দুই বছরেও চালু হয়নি পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আরটিপিসিআর ল্যাবের কার্যক্রম। বর্তমানে ল্যাবটি কাগজে-কলমে নাম মাত্র সাইনবোর্ডে সীমাবদ্ধ। এতে জেলায় করোনা পরীক্ষা করা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে করোনা পরীক্ষার জন্য এখনো জেলাবাসীকে বরিশাল-শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

দীর্ঘদিন পটুয়াখালীতে করোনা সনাক্ত ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বর্তমানে আবারও সনাক্তের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন নিয়ে চিন্তিত জেলাবাসী। এছাড়া সমস্যা সমাধানে দ্রুত সরকার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমনটাই দাবি জেলাবাসীর।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২০ সালের ৯ এপ্রিল বরিশাল বিভাগের মধ্যে প্রথম পটুয়াখালীর দুমকীতে এক ব্যক্তির করোনায় মৃত্যু হয়। শুরু থেকেই পটুয়াখালীতে করোনা শনাক্তকরণ ল্যাব না থাকায় বরিশাল ও ঢাকা থেকে করোনার পরীক্ষা করতে হতো। সঠিক রিপোর্ট পেতে পাঁচ-সাতদিন লেগে যেতো। দ্রুত সময়ের মধ্যে করোনা আক্রন্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করতে সরকার পটুয়াখালীতে আরটিপিসিআর ল্যাব স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। যা এখন শুধুই স্বপ্ন। দীর্ঘদিনেও ল্যাব চালু না হওয়ায় উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালী ও বরগুনার কয়েক লাখ মানুষ এর সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বর্তমানে পটুয়াখালীতে র‍্যাপিড এন্টিজেন্ট টেস্ট ওজিন এক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে করোনা শনাক্তকরণ কাজ চলছে। তবে সীমিত সংখ্যক।

বর্তমানে পটুয়াখালীতে রেপিড এন্টিজেন্ট টেস্ট ও জিনএক্সপার্ট মেশিনের মাধ্যমে করোনা শনাক্ত করা হয়। তবে দীর্ঘদিন পটুয়াখালীতে করোনা শনাক্ত ও মৃত্যু নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বর্তমানে আবারও বাড়ছে। ফলে দ্রুত আরটিপিসিআর ল্যাব চালুর দাদি জেলাবাসীর।

গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. হারুন অর রশিদ বলেন, আরটিপিসিআর ল্যাবের ভৌত অবকাঠামো নির্মাণ কাজের জন্য ৩২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত এর নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়। ল্যাব স্থাপনের জন্য মেডিকেল কলেজের অস্থায়ী ভবনের নিচতলায় অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শেষ করে কর্তৃপক্ষকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজের মেডিকেল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘হাসপাতালের আরটিপিসিআর ল্যাব চালু করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিসহ আটজন মেডিকেল টেকনোলজিস্ট, চারজন ডাটাএন্ট্রি অপারেটর, চারজন অফিস সহায়ক এবং চারজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী প্রয়োজন। এসব চাহিদার কথা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে একাধিকবার জানানো হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

নেত্রকোনায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত ২
বাড়ি ফেরা হলো না দুই বন্ধুর
ক্লাস বর্জন করে ময়মনসিংহ মেডিকেলের শিক্ষার্থীদের আন্দোলন
বগুড়ার সেই তুফান সরকার জামিনে মুক্ত
হিলি সীমান্ত থেকে দুই মাদরাসাছাত্রকে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে উধাও আইনজীবী, গ্রেফতারি পরোয়ানা

আরও খবর