Header Border

ঢাকা, সোমবার, ৫ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ | ২০শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ (হেমন্তকাল) ২৭.৯৬°সে

রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থী মাঈনুদ্দিন নিহতের প্রতিবাদে রাজধানীর রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভে ওই এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে শুরু হওয়া বিক্ষোভের জেরে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সোমবার রাতে রামপুরায় রাস্তা পার হওয়ার সময় দুটি বাসের প্রতিযোগিতায় চাপা পড়ে নিহত হয় মাঈনুদ্দিন। এ ঘটনার জেরে রাতেই বেশ কয়েকটি বাসে অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষুব্ধ জনতা।

স্কুলের খাতায় মাঈনুদ্দিনের নাম মঈন ইসলাম। রামপুরার একরামুন্নেছা স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাণিজ্য শাখা থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে সে। পড়াশোনা শেষ করে হতে চেয়েছিল প্রশাসনের বড় কর্মকর্তা।

রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের
সোমবার রাতে মাইনুদ্দিনের বাড়িতে তার বড় ভাইয়ের শ্যালক বাদশা মিয়া বলেন, মাঈনুদ্দিনের বাবা চায়ের দোকান চালান বাড়ির পাশে তিতাস রোড়েই। রাত ৯টা পর্যন্ত বাবার চায়ের দোকানেই কাজে ব্যস্ত ছিল সে। এরপর দোকান থেকে বেরিয়ে বন্ধুর বাড়িতে রামপুরা বাজার এলাকায় যায়। ফেরার পথে রাস্তা পারাপারের সময় নিহত হয়।

এরপর পথচারীরা মাঈনদ্দিনের ফোন থেকে পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে জানায়। প্রথমে মঈনুদ্দিনের দুলাভাই ঘটনাস্থলে গিয়ে মঈনুদ্দিনের ছিন্নভিন্ন শরীর রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে জ্ঞান হারিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর পরিবারের অন্যান্য লোকজন সেখানে পৌঁছায়।

দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে মাঈনুদ্দিন সবার ছোট। বড় ভাই মনির ছোট একটি চাকরি করেন। মূলত সংসার চলে বাবার টিনের ছোট্ট চায়ের দোকানের আয় থেকেই। বড় ভাই ভালো কিছু না করার কারণে এ সংসারের হাল ধরতে চেয়েছিল সে।

রামপুরা ব্রিজ অবরোধ করে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

তাদের গ্রামের বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। প্রায় ১৫ বছর রামপুরা এলাকায় বসবাস করছে তার পরিবার। স্কুল জীবন ও বাবার চায়ের দোকানে সহযোগিতা করার কারণে ওই এলাকায় বেশ পরিচিত ছিল মাঈনুদ্দিন। ছিল মেধাবী ছাত্রও।

এদিকে মাঈনুদ্দিন নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে রামপুরা বাজার এলাকায় বেশ কয়েকটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়। মধ্যরাত পর্যন্ত এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এ ঘটনায়ঘাতক বাসের চালককে আটক করা হয়েছে বলে তাৎক্ষণিক জানায় পুলিশ।

বাসে আগুন দেওয়া ও ভাঙচুরের বিষয়ে মাঈনুদ্দিনের পরিবারের সদস্যরা জানান, সহিংস কোনো ঘটনার জন্য পরিবারের কেউ দায়ী নয়। খবর পেয়ে যখন পরিবারের লোকজন মরদেহের কাছে পৌঁছায়, তার আগেই ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে বিক্ষুব্ধ জনগণ।

আপনার মতামত লিখুন :

আরও পড়ুন

বাংলার সমৃদ্ধি’র ভবিষ্যৎ নিয়ে ‘অনিশ্চয়তা’
হানিফ ফ্লাইওভারে গাড়ি থামিয়ে চাঁদাবাজি করতেন তারা
জঙ্গিবাদ নির্মূলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
৭৪৯ জনকে চাকরি দেবে বিমান বাংলাদেশ
পুলিশের লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ চাকরিপ্রত্যাশীরা
যত আসন তত যাত্রী পরিবহনে নতুন সিদ্ধান্ত

আরও খবর